ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করে ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আদিবাসীদের সংগঠন ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের একটি প্রতিনিধি দল শেরপুরের পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করে বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে এবং প্রকৃত দোষীদের তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হবে।
ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ জানান, গ্রেফতার হওয়া ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।এদিকে, আদিবাসীদের বিভিন্ন সংগঠন তাদের নিজ নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো নিরীহ পরিবার যেন হয়রানি, হামলা, ভাঙচুর বা লুটপাটের শিকার না হয়।তারা ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি এলাকায় বসবাসরত আদিবাসী পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনারও দাবি জানান তারা।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮