এম জি বাবর,বেগমগঞ্জ,তাজাখবর২৪.,কম,নোযাখালী: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বাড়িতে ঢুকে সাবেক এক যুবদল নেতা মো. সোহাগ ওরফে সোহেল (৩৫) কে গুলি করে হত্যার চেষ্টার প্রতিবাদে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এসময় ঘটনার সাথে জড়িত জামাত শিবির সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার দাবী করেছে। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সোমবার বিকেল ৫ টায় বিএনপি তার অঙ্গ সংগঠনের উদ্যেগে বাংলা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সোহেল গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ওই ঐ বাড়ির মাহফুজ উল্যার ছেলে।
গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব অভিযোগ করেন, গোপালপুর ইউনিয়নে স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার চক্র জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি না করলে বসবাস করা কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা যুবদল নেতা সোহেলকে বাড়িতে গুলি করে পালিয়ে যায়।তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাস্টার আবু তাহের। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই চার বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন সোহেল। বুধবার দুপুরে পাশের আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় রসুলপুর গ্রামের যুবদল কর্মী সুমনকে পথরোধ করে মারধর করেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় সোহেলের সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে রোববার সন্ধ্যায় জামায়াত-শিবিরের নেতা ছেনি আলম, নাছির, জহির ও চশমা জাবেদের নেতৃত্বে সোহেলকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে। তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি আছে।বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সামছুজ্জামান বলেন, ঘটনার পর থেকে পুলিশ আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে তৎপর রয়েছে। কি কারনে ঘটনা ঘটেছে মামলা রুজু হলে সেই মতে ব্যবস্থার জন্য এগিয়ে যাব।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, ২৭ সফর ১৪৪৭