প্রকাশ: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম (ভিজিট : )
মালয়েশিয়ায় বৈধ বিদেশি কর্মী ২১ লাখের অধিক, সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি
আব্দুল কাদের,তাজাখবর২৪,মালয়েশীয়া: মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বৈধভাবে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৮৯ জন। মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত ১৫টি নির্ধারিত উৎসদেশ থেকে এসব বিদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় কর্মরত ছিলেন।
কোন দেশের কতজন?
🇧🇩 বাংলাদেশ — ৮,০৩,৩২২ জন
🇮🇩 ইন্দোনেশিয়া — ৫,৪৩,৫১৪ জন
🇳🇵 নেপাল — ৩,৩২,৭১২ জন
🇲🇲 মিয়ানমার — ১,৭৩,৬৩০ জন
🇮🇳 ভারত — ১,০৬,৯২৯ জন
🇵🇰 পাকিস্তান — ৭৬,০১১ জন
🇵🇭 ফিলিপাইন — ৫২,৩৪০ জন
🇹🇭 থাইল্যান্ড — ২১,৮২২ জন
🇻🇳 ভিয়েতনাম — ১৬,৬১৪ জন
🇱🇰 শ্রীলঙ্কা — ৫,৯৩৮ জন
🇰🇭 কম্বোডিয়া — ৫,৬৫৫ জন
🇨🇳 চীন — ৪,৭৯৬ জন
🇱🇦 লাওস — ১,৪৯১ জন
🇺🇿 উজবেকিস্তান — ১২ জন
🇰🇿 কাজাখস্তান — ৩ জন
সব মিলিয়ে ২১,৪৪,৭৮৯ জন বৈধ বিদেশি কর্মী।🇧🇩 বাংলাদেশিদের অবস্থান কোথায়?পরিসংখ্যান অনুযায়ী মালয়েশিয়ার বৈধ বিদেশি কর্মীদের মধ্যে বাংলাদেশিরাই সবচেয়ে বড় দল। ৮ লাখ ৩ হাজার ৩২২ বাংলাদেশি কর্মী মোট বৈধ বিদেশি কর্মীর প্রায় ৩৭.৫ শতাংশ।এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া এবং তৃতীয় অবস্থানে নেপাল। অর্থাৎ মালয়েশিয়ার বিদেশি শ্রমবাজারে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের কর্মীদের উপস্থিতিই সবচেয়ে বেশি।
নতুন কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে এর অর্থ কী?
মালয়েশিয়া বিদেশি শ্রমিক নিয়োগকে শিল্পখাতের প্রকৃত প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর জোর দিচ্ছে। নিয়োগকর্তাকে বিদেশি কর্মীর কোটা পাওয়ার আগে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় এবং প্রকৃত শ্রমিকের প্রয়োজন রয়েছে—এমন প্রমাণ দিতে হয়। সরকার বিদেশি কর্মীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে অটোমেশন ও যান্ত্রিকীকরণ বাড়ানোর নীতিও অনুসরণ করছে।
তবে মনে রাখতে হবে: এই ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৮৯ জনের হিসাবটি ৩০ জুন ২০২৫-এর বৈধ বিদেশি কর্মীর তথ্য। বর্তমানে ২০২৬ সালে সংখ্যাটি পরিবর্তিত হয়ে থাকতে পারে। একইভাবে অবৈধ বা undocumented বিদেশিদের সংখ্যা এই হিসাবের মধ্যে নেই এবং তাদের নির্ভরযোগ্য পূর্ণাঙ্গ সংখ্যা আলাদাভাবে নির্ধারণ করা কঠিন।মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি বৈধ বিদেশি কর্মী বাংলাদেশ থেকে—এই তথ্যটি জানতেন কি? আপনার পরিচিতরা কোন কোন সেক্টরে কাজ করছেন, কমেন্টে জানাতে পারেন।
সূত্র: মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় লিখিত জবাবের ভিত্তিতে The Star ও New Straits Times প্রকাশিত প্রতিবেদন। �