প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৪ পিএম (ভিজিট : )
বিপজ্জনক যুগে পৃথিবী, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: বৈশ্বিক জলবায়ু পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করেছেন, এল নিনোর প্রভাবে পৃথিবী এখন চরমভাবাপন্ন আবহাওয়ার এক বিপজ্জনক যুগে প্রবেশ করেছে। খবর বিবিসির।বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান এল নিনো পরিস্থিতি গত সাত দশকের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী প্রাকৃতিক রূপ নিতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এর প্রভাব ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
এল নিনোর মূল প্রভাব বৈশ্বিক আবহাওয়া ব্যবস্থাকে তছনছ করে দেয়। এর আকস্মিক প্রভাবে বিশ্বের এক প্রান্তে দেখা দেয় তীব্র খরা, আর অন্য প্রান্তে বয়ে যায় শক্তিশালী টাইফুন ও বিধ্বংসী বন্যা। বিজ্ঞানীদের মতে, মানবসৃষ্ট কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ধারার সঙ্গে এল নিনোর প্রভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তাপ যুক্ত হয়ে চরম তাপপ্রবাহের সৃষ্টি করবে।পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, আমাদের চোখের সামনেই এল নিনো অস্বাভাবিক আকার ধারণ করছে। বিজ্ঞান নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই, পৃথিবী এখন জলবায়ুর এক অজানা ও উত্তপ্ত সীমানায় পা রেখেছে।
ইতোমধ্যে এল নিনোর অভিঘাত থেকে মৃত্যুর হার, মানুষের বাস্তুচ্যুতি ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বৈশ্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের পরামর্শে বিভিন্ন দেশ আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে।আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো সতর্ক করে জানান, এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে সমাজ ও অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর প্রচণ্ড প্রভাব পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর জনগোষ্ঠীর কাছে সময়মতো সতর্কবার্তা পৌঁছে দিতে ব্যাপক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।উল্লেখ্য, এল নিনো মূলত একটি স্বাভাবিক ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত প্রক্রিয়া। এর ফলে মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়, যা পরবর্তীতে বৈশ্বিক বায়ুপ্রবাহ এবং বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক বিন্যাসকে পুরোপুরি বদলে দেয়।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮