প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫০ পিএম (ভিজিট : )
কেন্দুয়া-মদন দুই উপজেলার দুই গ্রামে টান টান উত্তেজনা, বড় সংঘর্ষের আশংকা
রাখাল বিশ্বাস,তাজাখবর২৪.কম, কেন্দুয়া(নেত্রকোনা): নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার জালালপুর গ্রাম ও পাশ্ববর্তী মদন উপজেলার বাঁশরী গ্রামের মধ্যে পুরনো শত্রুতার জের ধরে বুধবার বিকেলে হাওরে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।সাইডুলি নদীর দুই তীরে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দুই গ্রামবাসী দিনভর টান টান উত্তেজনায় সময় কেটেছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গরুর ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল, যার জেরে বুধবার (২৩ সেপ্টম্বর) দুপুর সাড়ে ১১টায় সাইডুলি নদীর দেবদুল্লা ঘাটে জালালপুর গ্রামের একটি মাছের ঘের কেটে ফেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হাওরের মাঝখানে উভয় পক্ষের প্রায় ৭০০-৮০০ মানুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়।তবে দুই গ্রামের হাওরের মাঝখানে সাইডুলি নদী থাকায় দু'দল সরাসরি সংঘর্ষে জড়াতে পারেনি। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষকে সরিয়ে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর বাঁশরী গ্রামের কিছু উত্তেজিত লোক নদী পেরিয়ে জালালপুর গ্রামে ঢুকে একটি হাঁসের খামার ভাঙচুর চালিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়।রাতেও ব্যাপক উত্তেজনা ছিল। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।স্থানীয়দের আশঙ্কা, বড় ধরনের সংঘর্ষ সাময়িক এড়ানো গেলেও পুরনো বিরোধ অমিমাংশিত থাকায় ভবিষ্যতে পুনরায় সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। দুই থানার পুলিশের আরও ভূমিকা নিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)তরিকুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।স্থানীয়রা জানান,অবিলম্বে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনিক দ্রুত হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষের মধ্যে স্থায়ী সমঝোতার করতে হবে, নইলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব নাও হতে পারে,হতে পারে প্রাণহানির মত ঘটনা।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, ১২ রবউিস সানি ১৪৪৮