যশোরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত
এস এম সেলিম, তাজাখবর২৪.কম, যশোর ব্যুরো: ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে যশোর প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসক মোঃ আশেক হাসান এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন। বক্তব্য রাখেন, জিয়া স্মৃতি পাঠাগার নেতা প্রফেসর মোস্তাক আহমেদ পলাশ, এন,সি পির নেতা মোঃ নুরুজ্জামান, জামায়াত ইসলামির নেতা আবুল হাশেম রেজা, সাংবাদিক নেতা ও প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন,শিক্ষক নেতা নজরুল ইসলাম বুলবুল প্রমূখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, ১৯৭৫ সালে এই দিনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে ঘটে যায় এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সেনাবাহিনীর আভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের মধ্যে সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। পরবর্তী সময়ে দেশের রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
১৯৭০ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় চট্টগ্রামের খালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তৎকালীন যুদ্ধের সময় তার ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ নয়মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হয়।
২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে লাল সবুজের পতাকা অর্জিত হয়। তিনি বীর সেনানী বীর মুক্তিযোদ্ধা রণাঙ্গনের সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তার এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য বাংলাদেশের জনগণ তাকে সাদরে গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ই নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচিত দিন বিএনপির কাছে একটি জাতীয় বিপ্লব সংহতি দিবস হিসেবে বিশেষ মর্যাদার।
১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী জনতা জিয়াউর রহমানকে সামনে নিয়ে আসে এবং দেশের রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করে। বর্তমানে বিএনপির সরকার ক্ষমতায়। তার ঐ সুযোগ্য পুত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান এখন ক্ষমতায়।
তার জীবদ্দশায় অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য তিনি ব্যাপকভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং বাস্তবায়নের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে সকলকে সাথে নিয়ে দেশ ইনশাআল্লাহ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে আজকের দিনেই হোক আমাদের সকলের অঙ্গীকার। আলোচনা সভায় যশোরের স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তাগণ, বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তাগণ।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩, ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮