কক্সবাজারে ৮ দিন ধরে জ্বলছে গ্যাস, মাটির নিচে কি বড় মজুত?
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:০৭ পিএম  (ভিজিট : )
কক্সবাজারে ৮ দিন ধরে জ্বলছে গ্যাস, মাটির নিচে কি বড় মজুত?

কক্সবাজারে ৮ দিন ধরে জ্বলছে গ্যাস, মাটির নিচে কি বড় মজুত?

তাজাখবর২৪.কম,কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানিতে নলকূপ খননের সময় মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাসে টানা আট দিন ধরে আগুন জ্বলছে। গত ২৭ অক্টোবর ভোর ৫টায় শুরু হওয়া গ্যাসের নির্গমন এখনো বন্ধ হয়নি। বরং গ্যাসের প্রবাহ ও আগুনের শিখা ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করা বাপেক্সের কর্মকর্তারা।এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, ইনানির ভূগর্ভে কি প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় কোনো উৎস রয়েছে? সেখানে কি বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত পাওয়ার সম্ভাবনা আছে? গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেটও কি বেরিয়ে আসছে?বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) ও পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এলাকাটিকে হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানের জন্য সম্ভাবনাময় মনে করা হচ্ছে। কাছাকাছি সাঙ্গু ও সেমুতাংয়ের মতো গ্যাসক্ষেত্রের অবস্থানও এ অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক গুরুত্ব বাড়িয়েছে। এমনকি আগুনের শিখার কালো রং দেখে গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেট থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস নির্গমন বা আগুন জ্বলার বিষয়টি বড় গ্যাসক্ষেত্র থাকার প্রমাণ নয়। গ্যাসের প্রকৃত উৎস, রাসায়নিক গঠন, ভূগর্ভস্থ আধারের আকার এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা জানতে আরও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানের অনুকূল ভূতাত্ত্বিক কাঠামোবাপেক্সের মহাব্যবস্থাপক (ভূতত্ত্ব) শামসিয়া মুক্তাদির জানান, ইনানির পুরো ভূতাত্ত্বিক কাঠামো হাইড্রোকার্বন সৃষ্টি ও জমা হওয়ার অনুকূল। এ কারণে এলাকাটি আগে থেকেই তাদের কাছে অনুসন্ধানের জন্য আগ্রহের জায়গা ছিল। সেখানে প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস নির্গমনের একটি সিপেজও আগে শনাক্ত হয়েছিল।তিনি বলেন, ‘পুরো স্ট্রাকচারটাই আসলে হাইড্রোকার্বন জেনারেশন এবং এন্ট্রাপমেন্টের জন্য একটা ফেভারেবল কন্ডিশন। যেখানে আমরা সিপেজটা পেয়েছি, অনেক আগে থেকেই সেটা আমাদের একটা ইন্টারেস্টিং জোন হিসেবে ছিল।’

বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের প্রধান এস এম নাফিফুন আরহাম বলেন, ইনানি কাঠামোর কাছাকাছি এলাকায় এরইমধ্যে কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে সাঙ্গু ও সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র উল্লেখযোগ্য।তার মতে, বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় ভাঁজ বলয়ে (ইস্টার্ন ফোল্ডেড বেল্ট) হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র থেকে মিয়ানমারের সোয়ে গ্যাসক্ষেত্র পর্যন্ত একটি কাল্পনিক রেখা টানলে ইনানি অঞ্চলও সেই ভূতাত্ত্বিক বিবেচনার মধ্যে পড়ে।নাফিফুন আরহাম বলেন, বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল ও সমুদ্র এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত অনুসন্ধান চালানো হয়নি। এসব এলাকায় অনুসন্ধানের বড় সুযোগ রয়েছে। তবে আর্থিক সক্ষমতা ও অনুসন্ধান ব্যয়ের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার তুলনামূলক কম খরচে আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে—এমন কূপগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে চায়।তিনি আরও বলেন, ইনানির ভূতাত্ত্বিক কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হলেও সেখানে ফল্ট ও ফ্র্যাকচারের মতো বিষয় রয়েছে। আরও জরিপের মাধ্যমে সঠিক স্থান চিহ্নিত করে অনুসন্ধান কূপ খনন করা গেলে বাণিজ্যিক গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ ইনানির ভূতাত্ত্বিক অবস্থান
ইনানি অঞ্চল বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় ভাঁজ বলয়ের অংশ। এই বলয়ের ভূতাত্ত্বিক বিবর্তন হিমালয়ান অরোজেনি ও আরাকান-ইয়োমা অঞ্চলের টেকটনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।বাপেক্সের বিশেষজ্ঞদের মতে, একই ধরনের ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার প্রভাবে ভারতের ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। মিয়ানমারের সোয়ে গ্যাসক্ষেত্রও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।নাফিফুন আরহাম বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর এসব আবিষ্কার বাংলাদেশের পাহাড়ি ও সমুদ্রসংলগ্ন এলাকায় অনুসন্ধানের সম্ভাবনাকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার সুযোগ তৈরি করেছে।

আট দিনেও কেন শেষ হচ্ছে না গ্যাসের প্রবাহ
সাধারণত অগভীর ভূগর্ভে সীমিত পরিমাণে জমা হওয়া গ্যাসকে পকেট গ্যাস বলা হয়। এ ধরনের গ্যাসের আধার ছোট হলে কয়েক দিন বা তারও কম সময়ে গ্যাসের চাপ কমে গিয়ে নির্গমন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের সদস্য মোহাম্মদ ইমামুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের গ্যাস নির্গমনের ঘটনা দেখা যায়। সাধারণত অগভীর স্তরে জৈব পদার্থ চাপা পড়ে তৈরি হওয়া বায়োজেনিক গ্যাস এ ধরনের ঘটনার একটি উৎস। এসব গ্যাসের মজুত সাধারণত কম এবং বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনের উপযোগী নয়।তিনি বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীতেও আগে একই ধরনের একটি গ্যাস নির্গমনের ঘটনা ঘটেছিল। সেটি আট থেকে দশ দিন স্থায়ী হয়েছিল। পরে গ্যাসের চাপ কমে গেলে নমুনা সংগ্রহ করে বাপেক্সের পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করা হয়। তাতে মিথেনের পাশাপাশি ইথেনের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল।তবে ইনানির গ্যাসের উৎস একই রকম কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেটের ইঙ্গিত?
ইনানির গ্যাসের প্রকৃতি জানতে গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন ও মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব। এর আগে বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলায় বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন মহাব্যবস্থাপককে নিয়ে এ ঘটনা বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়ে মো. শোয়েব বলেন, সভায় ধারণা করা হয়েছে, নির্গত গ্যাসটি থার্মোজেনিক ও বায়োজেনিক প্রকৃতির হতে পারে। তবে আগুনের শিখার রং দেখে গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেট থাকার সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, আগুনের শিখার প্রকৃত অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে শুক্রবার রাতে তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে আগুনের শিখার রং কালো দেখা গেছে। এটি গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল বা কনডেনসেট নির্গমনের ইঙ্গিত দিতে পারে।মো. শোয়েব আরও বলেন, বাপেক্সের কর্মকর্তারা কয়েকদিন ধরে ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। তাদের কাছ থেকে নিয়মিত পরিস্থিতির প্রতিবেদন নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, আগুনের শিখা ক্রমেই বাড়ছে।কালো শিখা দেখে তেল বা কনডেনসেটের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায় না। এ জন্য গ্যাস ও তরলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করতে হবে।

গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করা যায়নি
ইনানির গ্যাসের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হলে প্রথমেই এর রাসায়নিক গঠন জানা প্রয়োজন। কিন্তু প্রচণ্ড চাপ ও তাপের কারণে ঘটনাস্থলে নিরাপদে পৌঁছে গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন বাপেক্সের বিশেষজ্ঞরা।নাফিফুন আরহাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মাটি ও পানির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ করা যায়নি। গ্যাসের মধ্যে মিথেন, ইথেন, প্রোপেন ও বিউটেনের মতো উপাদান কী পরিমাণে রয়েছে, তা পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে হবে। বিশেষ করে গ্যাসটি বায়োজেনিক, নাকি থার্মোজেনিক, তা নির্ধারণ করা জরুরি।বায়োজেনিক গ্যাস সাধারণত অগভীর স্তরে জৈব পদার্থের পচন থেকে তৈরি হয়। অন্যদিকে থার্মোজেনিক গ্যাস ভূগর্ভের গভীর স্তরে দীর্ঘ সময় ধরে তাপ ও চাপের প্রভাবে তৈরি হয়। গ্যাসের উৎস ও প্রকৃতি নির্ধারণ করা গেলে ভূগর্ভে বড় কোনো হাইড্রোকার্বন আধারের সঙ্গে এর সংযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে।

তেলের উপস্থিতি এখনো নিশ্চিত নয়
গ্যাসের পাশাপাশি ইনানিতে তেলের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।নাফিফুন আরহাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা পানির নমুনায় প্রাথমিকভাবে তেলের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে পরীক্ষাগারে আরও বিস্তারিত বিশ্লেষণের পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।তার মতে, গ্যাসের সঙ্গে উচ্চতর হাইড্রোকার্বন থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হলেও তেলের অস্তিত্ব সম্পর্কে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক হবে না।

আগুন জ্বালিয়ে রাখা হচ্ছে কেন
বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক জরিপ দলের সদস্য মোহাম্মদ ইমামুল ইসলাম বলেন, গ্যাস সরাসরি বাতাসে ছড়িয়ে পড়লে মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি হতে পারে। এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে নির্গত গ্যাস জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

তার মতে, জোর করে গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করার চেষ্টা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ, একটি নির্গমনপথ বন্ধ হয়ে গেলে ভূগর্ভস্থ গ্যাস অন্য কোনো দুর্বল স্থান দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করতে পারে।ইনানির ঘটনাস্থলে মূল নির্গমনস্থলের আশপাশে ছোট ছোট ফাটল তৈরি হয়েছে। সেসব ফাটল দিয়েও গ্যাস বের হতে দেখা গেছে। এমনকি পাশের একটি স্থাপনার দেয়াল ও মাটির সংযোগস্থল দিয়েও গ্যাস নির্গমনের লক্ষণ পাওয়া গেছে।তাই পর্যাপ্ত কারিগরি মূল্যায়ন ছাড়া গ্যাসের প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করা উচিত নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।১৫ দিন পর্যবেক্ষণ, রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনাগ্যাসের নির্গমন অব্যাহত থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলের আশপাশের প্রায় ২০০ বর্গমিটার এলাকায় জনসাধারণের চলাচল সীমিত রাখতে উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব বলেন, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ধারণা করা হচ্ছে, আগুনের উৎস একটি অগভীর গ্যাসের মজুত বা শ্যালো রিজার্ভার। সাধারণত বাংলাদেশে ভূগর্ভের দেড় থেকে পাঁচ কিলোমিটার গভীরে গ্যাসের মজুত পাওয়া যায়। তবে ইনানির ক্ষেত্রে গ্যাসের উৎস ও প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ১৫ দিন পর্যবেক্ষণ করা হবে।এ সময় আগুনের শিখার উচ্চতা ও গ্যাস নির্গমনের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। বাপেক্সের বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।প্রাথমিকভাবে ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।সম্ভাবনা আছে, তবে এখনই আবিষ্কারের ঘোষণা নয়ইনানির ঘটনা বাংলাদেশের উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলে নতুন করে গ্যাস অনুসন্ধানের সম্ভাবনা সামনে এনেছে। তবে আট দিন ধরে আগুন জ্বলছে বলে সেখানে বড় গ্যাসের মজুত রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিসংগত নয়। গ্যাসের প্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কারণ ভূগর্ভস্থ বড় কোনো আধারের সঙ্গে সংযোগও হতে পারে, আবার অন্য কোনো ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়াও এর পেছনে থাকতে পারে।এখন সবচেয়ে জরুরি হলো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে গ্যাসের নমুনা সংগ্রহ ও রাসায়নিক বিশ্লেষণ, নির্গমনের চাপ ও প্রবাহ পরিমাপ এবং ভূতাত্ত্বিক ও ভূকম্পন জরিপের মাধ্যমে উৎস শনাক্ত করতে হবে।প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে অনুসন্ধান কূপ খনন করে ভূগর্ভস্থ গ্যাসের আধারের প্রকৃতি ও বিস্তৃতি নির্ধারণ করতে হবে। এসব পরীক্ষার ফলাফলই বলে দেবে, ইনানির নিচে সত্যিই বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুত রয়েছে কি না।

তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩, ২২ জমাদিউল আউয়াল  ১৪৪৮

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৭৫৫৩৭৬১৭৮,০১৮১৮১২০৯০৮, ই-মেইল: [email protected], [email protected]
সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৭৫৫৩৭৬১৭৮,০১৮১৮১২০৯০৮, ই-মেইল: [email protected], [email protected]
🔝