প্রকাশ: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৬ এএম (ভিজিট : )
ছবি : সংগৃহীত
তাজাখবর২৪.কম,স্পোর্টস ডেস্ক: শুরুতেই একটি সুযোগ পেল সুইডেন। এরপর থেকে যা হলো, তার কোনো জবাব খুঁজে পেল না দলটি। আক্রমণের তোড়ে তাদের ভাসিয়ে দিল ফ্রান্স। এক ম্যাচ পরই আবার জোড়া গোলের আনন্দে মাতলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। অসাধারণ পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল দিদিয়ে দেশোঁর দল।নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শেষ বত্রিশের ম্যাচটি ৩-০ গোলে জিতেছে দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ীরা। তাদের অন্য গোলদাতা ব্রাডলে বার্কোলা।
অফসাইডের কারণে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোল বাতিল হওয়ার পর দুইবার গোলপোস্টে আঘাত। আর কয়েকটি শট গোলবারের পাশ দিয়ে গেছে কয়েকবার। ফ্রান্সের মুহুর্মুহু আক্রমণের পরও গোল না হওয়ার হতাশা শেষ পর্যন্ত কেটে গেছে। একাধিক সুযোগ নষ্ট করার পর ৪৫ মিনিটে এমবাপ্পে গোলমুখ খোলেন। বক্সের বাম প্রান্তে বল পেয়ে চমৎকার পায়ের কাজে তার মার্কারকে পরাস্ত করেন, তারপর বেশ কাছ থেকে দূরের পোস্ট দিয়ে জাল কাঁপান। তারপরই দৌড়ে যান মা হারিয়ে কঠিন সময় পার করা কোচ দিদিয়ের দেশমকে সান্ত্বনা দিতে। প্রথমার্ধ শেষে ফ্রান্স ১-০ গোলে এগিয়ে। সুইডেন কয়েকটি সুযোগ পেলেও ফরাসি গোলকিপার মাইক মাইগনানের সত্যিকারের পরীক্ষা নিতে পারেনি।
১৭ মিনিটে এমবাপ্পে প্রথম আক্রমণে যান। তার দুর্বল শট সহজেই সুইডিশ কিপার হাতে নেন। তিন মিনিট পর বারকোলার শক্তিশালী শট গোলবারের ওপর দিয়ে যায়। ২১তম মিনিটে অলিসের বাড়ানো বলে মাঝমাঠ থেকে দৌড়ে জালে বল ঠেলে দেন, কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।হাইড্রেশন ব্রেকের পর ফিরে রাবিওর একটি প্রচেষ্টা রুখে দেন সুইডেন কিপার জেটারস্ট্রম। ৩৩ মিনিটে অলিসের পাস থেকে দূরের পোস্টে দাঁড়ানো এমবাপ্পের দারুণ একটি শট গোলপোস্টে আঘাত করে। পরের মিনিটে রাবিও আবার বল গোলবারের ওপর দিয়ে মারেন।
৩৭ মিনিটে বক্সের প্রান্ত থেকে চোখ ধাঁধানো এক গোলের খুব কাছে ছিলেন। কিন্তু তার ওভারহেড কিক গোলপোস্টে লাগে। ফিরতি বলে শট নিতে পারেননি উসমান দেম্বেলে। বিরতির দুই মিনিট আগে অলিসের একটি শট গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। তারপরই হতাশা দূর করা এক গোল করেন এমবাপ্পে। এটি ছিল বিশ্বকাপে তার ১৭তম এবং এই আসরে পঞ্চম গোল করে নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের পাশে বসলেন। শীর্ষ গোলদাতা লিওনেল মেসির চেয়ে এক গোল পেছনে তারা দুজন।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৭ই আষাঢ় ১৪৩৩, ১৫ মহারম, ১৪৪৭