রূপচেং ও গুয়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা জানান, নদীর তীরের কাছা কাছি থেকে এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। নদী ভাঙনে তাদের আবাদি জমির পাশাপাশি বসতভিটাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় বড়গাং নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীর পার রক্ষা এবং কথিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তদন্তে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনের সঙ্গে কারা জড়িত, কী ভাবে নৌকা প্রতি অর্থ আদায় করা হচ্ছে এবং প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করার যে দাবি করা হচ্ছে এসব বিষয় নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা। রূপচেং ও গুয়াবাড়ি গ্রাম সংলগ্ন বড়গাং নদীর পারে রুপা মিয়া নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে প্রতিদিন বালুর নৌকা থেকে কমপক্ষে ২/৩ লক্ষ টাকা আদায় করা হচ্ছে। রূপচেং গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল এ ঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করলে ২৬ অক্টোবর সোমবার বিষয়টি সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়।
এব্যাপারে জৈন্তাপুর মডেল থানার এসআই শওকত মাসুদ ভূইয়া বলেন আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়। নদীর পার কেটে বালু উত্তোলনের বিষয়টি সঠিক বলে তিনি আরও বলেন, এখানে কেউ বলছে জায়গাগুলো মালিকানা আবার কেউ বলছে সরকারি। ফলে এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি। অভিযোগকারী আব্দুল জলিল ও আলমের সাথে আলাপকালে তারা জানায়, নদীর পার কেটে যে জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করা হয় সেই জায়গার মূল মালিক আমাদের দাদা কালা রাজা মজুমদার। উত্তরাধিকার সূত্রে রুপা মিয়া ইতোপূর্বে বালু ব্যবসায়ীদের কাছে একটি অংশ ৫৩ লক্ষ টাকা দিয়ে সাব লিজ দিয়েছেন এবং বাকি অংশ থেকে তিনি ও তার বাহিনী নৌকা প্রতি ২ হাজার টাকা হারে আদায় করছেন। এখানে থেকে বালু বিক্রি যদি বৈধ হয় তবে আমরা কালা রাজা মজুমদার এর উত্তরাধিকার হিসেবে কেনো হিস্যা বঞ্চিত। আর যদি বালু উত্তোলন অবৈধ হয় তবে প্রশাসন কেনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩, ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮