তাজাখবর২৪.কম,শেরপুর: শেরপুরে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার এক আসামি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর মামলার বাদীর কিশোরী মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই কিশোরী শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,
শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের কুঠুরাকান্দা গ্রামের আজিবর মিয়ার মেয়ে রোজিনা আক্তার (১৬)কে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে গত ১২ জুন শেরপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)/৩০ ধারাসহ ৫০৬(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন তার বাবা আজিবর মিয়া। মামলায় বিরাজী মিয়া (২২), পিতা- কামাল আহমেদকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।মামলার বাদী আজিবর মিয়ার অভিযোগ, প্রায় ১৩ দিন জেলহাজতে থাকার পর আসামি বিরাজী মিয়া জামিনে মুক্তি পান। গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি কৌশলে রোজিনাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে শেরপুর শহরের পূর্ব শেরী (অষ্টমীতলা) এলাকায় আসামির বাড়িতে নিয়ে যান।
সেখানে তাকে মারধর ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে রাত ১২টার পর রোজিনাকে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় আসামি বিরাজ মিয়া এমন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।পরবর্তীতে ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য রোজিনা কে শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।আজিবর মিয়া আরও অভিযোগ করেন, আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় সুবাদে মামলা তুলে নেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।মামলার বাদী আজিবর মিয়া ১৩ সেপ্টেম্বর রোববার তাজা খবর'কে বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আমার মেয়ের ওপর যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা ও ন্যায় বিচার চাই।”
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, ৩০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮