যশোরে রেণু পোনা মাছ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফিস হ্যাচারির স্বত্বাধিকারী আমিরুল হকের জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক অর্জন, একজন সফল মৎস্য উদ্যোক্তার গল্প কাহিনী
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম  (ভিজিট : )
যশোরে রেণু পোনা মাছ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফিস হ্যাচারির স্বত্বাধিকারী আমিরুল হকের জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক অর্জন, একজন সফল মৎস্য উদ্যোক্তার গল্প কাহিনী

যশোরে রেণু পোনা মাছ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফিস হ্যাচারির স্বত্বাধিকারী আমিরুল হকের জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক অর্জন, একজন সফল মৎস্য উদ্যোক্তার গল্প কাহিনী

এস এম সেলিম,তাজাখবর২৪.কম,যশোর ব্যুরো: রেনু পোনা ও ধানী মাছ উৎপাদনে যশোরে সারা জাগানো মৎস্য চাষী ন্যাশনাল ফিস হ্যাচারীর মালিক আমিরুল হক জাতীয় পর্যায়ে পোনা মাছ উৎপাদনের ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক অবদান রাখায় জাতীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মনোনীত হওয়ায় গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ কিশোরগঞ্জ কাটিয়াদী উপজেলার জর্জ ইনস্টিটিউট মাঠ প্রাঙ্গনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে এক জমকালো আয়োজনের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার সনদ, স্বর্ণপদক ও নগদ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার হিসেবে গ্রহণ করেন। মোঃ আমিরুল হক যশোরের ডাল মিল পশ্চিমপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তার পিতা মৃত আনোয়ারুল হক মিয়া যশোরের আদি মৎস্য পোনা মাছ ব্যবসায়ী।  তারা ৩ ভাই ১ বোন। দেশ স্বাধীনের আগে থেকেই তার পিতা সিরাজগঞ্জ ও গোয়ালন্দ থেকে বেপারীদের মাধ্যমে রুই কাতলা পোনা মাছের ডিম সংগ্রহ করে পুকুরে সংরক্ষণ করে বাজারজাত ও বিক্রি ছিল তার পেশা। সেই সময় লক্ষ লক্ষ টাকা পুঁজি খাটিয়ে ব্যাবসা পরিচালনা করছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাপারীরা অগ্রিম টাকা নিয়ে একসময় রুই কাতলা ডিমের পরিবর্তে বাটা মাছের ডিম দিয়ে মোটা অংকের অর্থের ক্ষয়ক্ষতি সহ ব্যবসার বড় ধরনের ক্ষতি করে দেন। তিনি কোন দিশা না পেয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দেন। সংসারে নেমে আসে টানা পোড়ন ও অভাব অনটন। তৎকালীন সময়ে সংসারের দুঃখ দুর্দশা দেখে জিদের বশবর্তী হয়ে মাত্র ৬শ টাকা পুঁজি নিয়ে আমিরুল হক পিতার কাছ থেকে নিজের বাড়ির পাশে একটি পুকুর লীজ নিয়ে রুই কাতলা মৎস্য পোনা মাছ উৎপাদন শুরু করেন। পারিবারিকভাবে একতা ফিস নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনিও বেপারীদের ধারা একই প্রতারণার শিকার হয়ে ব্যবসায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন।পরবর্তীতে যশোর জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে তিনি প্রশিক্ষণও পরামর্শ নেন। পিতার কাছ থেকে লিজ নেওয়া একটি পুকুর এবং পরবর্তীতে আরো ৪টি পুকুর লিজ নিয়ে রুই কাতলা রেনু ও ধানী পোনা মাছের চাষ ও উৎপাদন শুরু করলেন। একসময় বাজারে ব্যাপক চাহিদা এবং বিক্রি বেড়ে গেলে তিনি আরো বড় পরিসরে ব্যবসার পরিধি বাড়াতে লাগলেন। 

আমিরুল হক।

আমিরুল হক।

এক পর্যায়ে তিনি পারিবারিকভাবে আলাদা হয়ে নিজের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেন ১৯৯৩ সালে নাম দিয়েছিলেন ন্যাশনাল ফিশ হ্যাচারি। ওই প্রতিষ্ঠানের নামে তিনি একটি প্রকল্প গ্রহণ করেন। ওই প্রকল্পের আওতায় নিজের এলাকায় ভাই-বোনদের কাছ থেকে ১৩ শতক জমি ক্রয় করে জমির উপরে গড়ে তোলেন আধুনিক ও গুণগত মানসম্মত রুই কাতলা সহ অন্যান্য প্রজাতির রেনু পোনা মাছের উৎপাদন। স্থানীয় জনতা ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় মাত্র ২৭,০০০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে একটি ছোট্ট পরিসরে তিনি আধুনিক স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাবরেটরি সহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে গড়ে তোলেন ন্যাশনাল ফিশ হ্যাচারী। প্রথমে তিনি ৪টি ঝাড় দিয়ে মৎস্য খামারটি চালু করেন। এরপর আস্তে আস্তে মৎস্য রেনু পোনার ব্যাপক চাহিদা ও বৃদ্ধির কারণে তিনি আরো ৩১ টি ঝাড় ব্রিডিং এবং দুটি সাকুলার ট্যাংক সংযোজন করে পূর্ণাঙ্গ  হ্যাচারীটি চালু করতে সক্ষম হয়েছিলেন। কঠিন পরিশ্রম এবং সাধনা ও গুণগতমান বজায় রাখার ফলে বাজারে তার বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছের চাহিদা ও বিক্রি দিন দিন বৃদ্ধি পেতে লাগলো। যশোরের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বাংলাদেশে তার পোনা মাছের বিক্রির হিড়িক পড়ে গেল। সিজনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার পিস পোনা মাছ হ্যাচারিতে  উৎপাদিত‌ হতে লাগলো। আর অফ সিজনে বিক্রি হয় ধানি পোনা মাছ। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে যেমন যশোর সাতক্ষীরা খুলনা মাগুরা কুমিল্লা রাজশাহী বাগেরহাট নড়াইল ফরিদপুর মাদারীপুর নাটোর বগুড়া সহ বিভিন্ন জায়গার মৎস্য চাষিরা তার স্থায়ী খরিদ্দার। 

আমিরুল হক।

আমিরুল হক।

তারা অগ্রিম টাকা বুকিং দিয়ে রেনু পোনা মাছ নিয়ে থাকে। তিনি ব্যবসায়ীদেরকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রেয়াত এবং ছাড় সহ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন। মাছ চাষিরা তার প্রতিষ্ঠানে এসে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ কিনতে পেরে সন্তুষ্ট মনে বাড়ি ফিরে যান। দীর্ঘ ৪০ বছরের সাধনা কৌশলী এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফসল আজকের এই ন্যাশনাল ফিশ হ্যাচারী নামক প্রতিষ্ঠানটি। যশোরের চাঁচড়া ডাল মিলে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত সুনামের সহিত মৎস্য ব্যবসায়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। ঐ প্রতিষ্ঠানে যে সকল রেনু ও ধানী মাছের পোনা উৎপাদন ও বিক্রি হয় যেমন, রুই, কাতলা,গ্রাসকার্ব, সিলভার, বিগহেড, পুটি মৃগেল, কারফু, পাঙ্গাস,ব্লাককাপ,মেরর, বাটা, বাউশ,কৈ, মাগুর, শিং, চিতল, পাবদা, গুলশা, টেংরা উল্লেখযোগ্য। আমিরুল হক তিনি মৎস্য সেক্টরে জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় সনদ ক্রেস্ট স্বর্ণপদক ও নগদ অর্থ ও সম্মাননা পেয়েছেন। যেমন বাংলাদেশ ফিসারিজ রিসার্চ ফোরাম প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট, ফুড এন্ড এগ্রিকালচার, অর্গানাইজেশন অব দ্যা ইউনাইটেড ট্রেড নেশন, থাইল্যান্ড ভিত্তিক এ, আই,টি,ফিও দ্যা ফিউচার প্রশিক্ষণ ও সনদপত্র, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১০, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৪ উদ্ভাবনী, ২০১৬ সালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ গুণগতমান বজায় রেখে রেনু পোনা মাছ উৎপাদন সনদ, ২০১৭ সালে একই কারণে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ সনদ ক্রেস্ট ও সম্মাননা, ১৭ এবং ১৯ ব্যাচের ঢাকা ইউনিভার্সিটির ফিসারিজ ডিপার্টমেন্টের অধীনে প্রশিক্ষণ সনদপত্র, জি ত্রী রুই মাছের পোনা উৎপাদন ও গুণগত মানের জন্য ওয়ার্ল্ড ফিশ কর্তৃক ২০২২ সালে সনদপ্রাপ্ত ও সম্মাননা পেয়েছেন। সর্বোপরি ২০২৬ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে জাতীয় পর্যায়ে রেনু পোনা ও ধানি মাছ উৎপাদনে মৎস্য সেক্টরে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় সনদ স্বর্ণপদক এবং নগদ অর্থ ও সম্মাননা অর্জন করেন। ২০২৬ সালে যশোর জেলা মৎস্য অধিদপ্তর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় যশোর ন্যাশনাল ফিশ হ্যাচারীর স্বত্বাধিকারী মোঃ আমিরুল হককে এক সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক উপহার প্রদান করেন। আমিরুল হক একজন আদি এবং পারিবারিকভাবে সফল মৎস্য চাষী।তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন ন্যাশনাল ফিশ হ্যাচারি নামক প্রতিষ্ঠানটি। 

এ প্রতিষ্ঠানে অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। কেউ মাসিক বেতন অথবা কেউ দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে। দিনরাত চলে প্রতিষ্ঠান ও হ্যাচারীর কর্মকাণ্ড। প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সুনাম অর্জন করে চলেছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে উনার প্রতিষ্ঠানে এম্বাসেডররা এসে পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন। মাছে ভাতে বাঙালি বাংলাদেশে একটি প্রবাদ আছে। অথচ আজকে প্রাকৃতিক মাছ দেশে বিলুপ্তির পথে। মানুষের শরীরে সিংহভাগ আমিষের ঘাটতি পূরণ করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। ব্যাপক জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে এবং অন্যদিকে মাছের ব্যাপক চাহিদার কারণে আজকে মাছ চাষীদের কৃত্রিমভাবে মাছ উৎপাদন করে দেশ এবং বিদেশের চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে। নদ-নদী খাল বিল হাওর বাওর জলাশয় পুকুরে এক সময় প্রচুর প্রাকৃতিক উপায়ে স্বাদযুক্ত মাছ পাওয়া যেত। এখন অধিকাংশ নদী-নালা খাল বিল হাওড় বাওড় জলাশয় পুকুর ভরাটের কারণে মাছ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছে মৎস্য হ্যাচারি এবং খামারির মালিকগণ। 

এ ব্যাপারে ন্যাশনাল ফিশ হ্যাচারি মালিক মোঃ আমিরুল হক বলেন, আমরা যারা মৎস্য ব্যবসায়ীরা মৎস্য উৎপাদনে দেশের মৎস্য ঘাটতির জন্য বড় অবদান রাখছি তারা প্রতিনিয়ত প্রতিকূল অবস্থা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে এ সেক্টরকে টিকিয়ে রেখেছি। আমরা কোন রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিকভাবে মোটা অংকের অনুদান বা সাহায্য সহযোগিতা এখনো পায়নি। তারপরও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। আমাদের অনেক সমস্যা বিদ্যমান। সকল সমস্যা সমাধানে সরকার এগিয়ে আসলে এ সেক্টরকে শিল্পখাতে রূপ দিলে আমরা হ্যাচারির মালিকগণ দেশের উৎপাদনের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে ও আমরা যেকোনো প্রজাতির পোনা ও ধানী মাছ রপ্তানি করতে সক্ষম হব। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও বৃহৎ পরিসরে হ্যাচারির উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে সঠিক গুণগতমান বজায় রেখে পোনা মাছ উৎপাদন করা এবং বাজারজাত করা পাশাপাশি এই সেক্টরকে ৩য় গ্রেড থেকে ১নম্বর গ্রেডে কিভাবে আনা যায় সেটার উপরে জোর দেওয়া এবং বাংলাদেশে মৎস্য সেক্টরকে আরো প্রসিদ্ধ করা সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির মৎস্য সেক্টরকে আরো আধুনিকায়ন এবং উন্নত ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করলে বাংলাদেশের প্রতিটি মৎস্য সেক্টর আরো সফলতা বয়ে আনবে। দেশের প্রতিটি মৎস্য সেক্টর বড় অবদান রাখবে এবং বিদেশে পোনা মাছ রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ করবে বলে আমি আশাবাদী।
 
ক্যাপশন:-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে২০২৬ সালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে পোনা মাছ উৎপাদনে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সনদ স্বর্ণপদক ও নগদ অর্থ পুরস্কার লাভ করেন যশোর ন্যাশনাল ফিশ হ্যাচারীর স্বত্বাধিকারী মোঃ আমিরুল হক। ছবি ও সংবাদ :-সাংবাদিক এসএম সেলিম যশোর।

তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৭৫৫৩৭৬১৭৮,০১৮১৮১২০৯০৮, ই-মেইল: [email protected], [email protected]
সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৭৫৫৩৭৬১৭৮,০১৮১৮১২০৯০৮, ই-মেইল: [email protected], [email protected]
🔝