সার কালোবাজারি মামলার পর মুখ খুললেন কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার ‘কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এক মাস ধরে হয়রানির শিকার’
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৯:২১ পিএম আপডেট: ৩০.০৭.২০২৬ ৯:৩৩ পিএম  (ভিজিট : )
সার কালোবাজারি মামলার পর মুখ খুললেন কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার ‘কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এক মাস ধরে হয়রানির শিকার’

সার কালোবাজারি মামলার পর মুখ খুললেন কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার ‘কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এক মাস ধরে হয়রানির শিকার’

সুমন কুমার দে,তাজাখবর২৪.কম, শেরপুর: শেরপুর সদর উপজেলায় সারের কালোবাজারি ও অনিয়মের অভিযোগে ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর এবার নিজের ওপর প্রশাসনিক ও সামাজিক হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন মামলার বাদী শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন।বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস এবং গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, সার নিয়ে কারসাজি বন্ধে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গত প্রায় এক মাস তার জন্য ছিল ‘নরকের মতো’ সময়। প্রতিকার চেয়ে তিনি বিভিন্ন দপ্তরে গেলেও কোথাও সহযোগিতা পাননি; বরং নানা অভিযোগ তুলে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে।আনোয়ার হোসেনের দাবি, উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন মহলের কাছে বিষয়টি তুলে ধরলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো মাত্র ২০ দিনের মধ্যে তাকে আটটি কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ডিলারদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি, দুর্নীতি, হয়রানি ও অসদাচরণের মতো অভিযোগ আনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের স্বার্থ এবং কৃষকের অধিকার রক্ষার জন্য সকল বিভাগীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই গত ছয় মাসে প্রায় ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির অভিযোগে ১৫ জন সার ডিলার ও তাদের পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে শেরপুর সদর থানায় মামলা করেছি। অথচ এখন বলা হচ্ছে, সরকারকে বিব্রত করতেই আমি এ মামলা করেছি। কৃষকরা যদি সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার না পান, তাহলে সরকারেরই দুর্নাম হবে।”আনোয়ার হোসেন আরও দাবি করেন, কৃষি ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বর্তমানে তিনি জীবনঝুঁকির মধ্যেও রয়েছেন। তার ভাষায়, “চাকরি থাকবে কি না, সেটা পরের বিষয়। এই পরিস্থিতি থেকে বেঁচে থাকতে পারলেই আলহামদুলিল্লাহ।”তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগের জবাব, প্রশাসনিক চিঠিপত্র, স্ক্রিনশট, কল রেকর্ডিং এবং সিসিটিভি ফুটেজসহ প্রয়োজনীয় সব নথি তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে শেরপুর সদর থানায় দায়ের করা মামলায় ১৫ জন সার ডিলার ও তাদের পাঁচ সহযোগীকে অভিযুক্ত করা হয়। মামলায় সরকারি ভর্তুকির সার কালোবাজারির মাধ্যমে প্রায় ১৪ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে।মামলায় অভিযুক্ত ২০ জনের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, ১৫ সফর ১৪৪৭

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৭৫৫৩৭৬১৭৮,০১৮১৮১২০৯০৮, ই-মেইল: [email protected], [email protected]
সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৭৫৫৩৭৬১৭৮,০১৮১৮১২০৯০৮, ই-মেইল: [email protected], [email protected]
🔝