তাজাখবর২৪.কম,ডেস্ক নিউজ: বিদেশ ভ্রমণে ভিসা প্রক্রিয়ার জটিলতা অনেক সময় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। সুখবর হলো, বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীরা এশিয়ার কয়েকটি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পান। এসব দেশের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিসামুক্ত প্রবেশ করা যায়, আবার কিছু দেশে পৌঁছানোর পরই ভিসা অন অ্যারাইভাল (Visa on Arrival) নেওয়া যায়।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভ্রমণের আগে আগাম ভিসা ছাড়াই এশিয়ার ছয়টি গন্তব্যে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছে সর্বশেষ হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স। যুক্তরাজ্যভিত্তিক হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের ২০২৬ সালের জুলাই সংস্করণে বাংলাদেশ তিন ধাপ এগিয়ে ১০০তম স্থান থেকে ৯৭তম স্থানে উঠে এসেছে। এই অবস্থানে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে উত্তর কোরিয়া।সব মিলিয়ে, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুযোগ পান। তবে এর মধ্যে এশিয়ায় রয়েছে মাত্র ছয়টি দেশ।
১. শ্রীলঙ্কা
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রসৈকত এবং ঐতিহাসিক স্থাপনার জন্য পরিচিত শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশিদের জন্য সহজ প্রবেশ সুবিধা রয়েছে। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ ভিসানীতি যাচাই করে নেওয়া উচিত।
২. মালদ্বীপ
নীল সমুদ্র, সাদা বালুর সৈকত আর বিলাসবহুল রিসোর্টের দেশ মালদ্বীপে বাংলাদেশি নাগরিকরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পান। এটি হানিমুন ও অবকাশ যাপনের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য।
৩. ভুটান
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড় আর শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত ভুটানে বাংলাদেশিরা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পান।
৪. নেপাল
হিমালয়ের দেশ নেপালেও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা নিয়ে প্রবেশ করতে পারেন। কাঠমান্ডু, পোখারা ও এভারেস্ট অঞ্চলের সৌন্দর্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।
৫. তিমুর-লেস্তে (ইস্ট তিমুর)
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ছোট এই দ্বীপরাষ্ট্রেও বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা রয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নিরিবিলি পরিবেশের কারণে দেশটি ধীরে ধীরে পর্যটকদের নজর কেড়েছে।
৬. কম্বোডিয়া
বিশ্বখ্যাত আঙ্কোর ওয়াট মন্দিরের দেশ কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল নিতে পারেন। ইতিহাস ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।
ভ্রমণের আগে যা মনে রাখবেন
ভিসা ছাড়া বা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা থাকলেও ভ্রমণের আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দেশের সর্বশেষ প্রবেশ নীতিমালা যাচাই করা উচিত। অনেক ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, রিটার্ন টিকিট, হোটেল বুকিং, পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩, ১১ সফর ১৪৪৭