বাংলাদেশের উত্থাপিত প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত
প্রকাশ: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৫ এএম  (ভিজিট : )
 ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace) বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।শুক্রবার (২৪ ‍জুলাই) সাধারণ পরিষদের এক বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে অব্যাহত সংলাপ, পারস্পরিক বোঝাপড়া, বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য।

তিনি প্রস্তাবটি নিয়ে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ও ব্যাপক সমর্থনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিভাজনের পরিবর্তে সংলাপ, সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা এবং অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে পারস্পরিক বোঝাপড়াকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানান।বাংলাদেশের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে প্রথম গৃহীত এ প্রস্তাবটি গত প্রায় আড়াই দশক ধরে জাতিসংঘে ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সংহতি ও অহিংসার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি এটি সংঘাত প্রতিরোধ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace) বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।শুক্রবার (২৪ ‍জুলাই) সাধারণ পরিষদের এক বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে অব্যাহত সংলাপ, পারস্পরিক বোঝাপড়া, বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য।তিনি প্রস্তাবটি নিয়ে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ও ব্যাপক সমর্থনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিভাজনের পরিবর্তে সংলাপ, সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা এবং অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে পারস্পরিক বোঝাপড়াকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে প্রথম গৃহীত এ প্রস্তাবটি গত প্রায় আড়াই দশক ধরে জাতিসংঘে ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সংহতি ও অহিংসার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি এটি সংঘাত প্রতিরোধ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩, ১০ সফর ১৪৪৭

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৭৫৫৩৭৬১৭৮,০১৮১৮১২০৯০৮, ই-মেইল: [email protected], [email protected]
সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৭৫৫৩৭৬১৭৮,০১৮১৮১২০৯০৮, ই-মেইল: [email protected], [email protected]
🔝