প্রকাশ: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ২:১৭ পিএম (ভিজিট : )
কেন্দুয়ায় ১২ বছরের শিশুকন্যাকে পাটক্ষেতে ধর্ষণ,থানায় মামলা
রাখাল বিশ্বাস,তাজাখবর২৪.কম,কেন্দুয়া (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় দুলাভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে ১২ বছরের এক শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি ২৯ জুন (২০২৬) তারিখ সন্ধ্যারাতে উপজেলার বাট্টা (ভাটিপাড়া) এলাকায় ঘটে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার জন্য একটি মহল জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা অনুমান সাড়ে ৬ ঘটিকায় কেন্দুয়া থানাধীন মোজাফফরপুর ইউনিয়নের গগডা গ্রামের মোঃ বাচ্চু মিয়ার মেয়ে ভিকটিম (সোনিয়া আক্তার (১২) শিশুকন্যা একই থানার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা মাইজপাড়া গ্রামে তার আপন দুলাভাই মোঃ রিপন মিয়ার বাড়িতে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে মেয়েটি বাট্টা (ভাটিপাড়া) নামক স্থানে থাকা স্থানীয় মৃত মন্নাফ হোসেনের ছেলে অভিযুক্ত মোঃ মতি মিয়া (৫৫) তাকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে। পরবর্তীতে রাস্তার পাশে একটি পাটক্ষেতে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
স্থানীয়রা বলেন, ১২ বছরের অবুঝ এক শিশু ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর যেখানে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়ার কথা, সেখানে উল্টো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয় যা অত্যন্ত দু:খজনক।নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মাতব্বর বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে লোকলজ্জার ভয় দেখিয়ে আপস-মীমাংসার জন্য দফায় দফায় সালিশ-বৈঠকের আলোচনা করেন। এতে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে ভুক্তভোগীর পরিবার এবং স্থানীয় সচেতন মহলে। ধর্ষণের মতো একটি জঘন্য ফৌজদারি অপরাধকে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার কোনো আইনি সুযোগ নেই। এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্ত লম্পট মতি মিয়াকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান এলাকাবাসী।কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে শিশুটির পিতা মো: বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে পহেলা জুলাই ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। আমরা শিশুটিকে উদ্ধার করে মেডিকেলের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। আসামী ধরতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তাজাখবর২৪.কম,ঢাকা: বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৭ই আষাঢ় ১৪৩৩, ১৫ মহারম, ১৪৪৭