আপলোড তারিখ : 2018-01-10
কেন্দুয়ায় চিকিৎসক সংকটে হাসপাতালের করুন দশা
কেন্দুয়ায় চিকিৎসক সংকটে হাসপাতালের করুন দশা-ফাইল ফটো-রাখাল বিশ্বাস,তাজাখবর২৪.কম,কেন্দুয়া: চিকিৎসক ও জনবল সংকট, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদী না থাকাসহ নানাবিধ সমস্যার কারণে চরম ব্যাহত হচ্ছে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রোর স্বাস্থ্য সেবা। একমাত্র এ্যম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন অকেজো থাকার পর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্ধে গত ৫ জানুয়ারী একটি এ্যম্বুলেন্স হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে রয়েছে এক্স-রে মেশিনটি। এছাড়া জনবলের অভাবে প্যাথলজি বিভাগ বন্ধ ছাড়াও প্রয়োজনীয় ভবন ও সরঞ্জামাদী থাকার পরও কেবল মাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় একযোগেও চালু করা হয়নি সিজারিয়ান কার্যক্রম। ১০ জানুয়ারী বুধবার দুপুরে খোঁজ নিতে হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, মেডিকেল অফিসার দেবপ্রাণ রায় বদলী নিয়ে চলে যাচ্ছেন। ডাক্তার আশরাফুজ্জামানও বদলীর চেষ্টা করছেন। রয়েছেন শুধু উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডাক্তার জীনাত শাবাহ্ ও আরএমও ডাক্তার রজত কান্তি সরকার। এছাড়া দুইজন মহিলা চিকিৎসক মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। এছাড়া ১৩টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অবস্থঅ আরোও করুন। দলপা, আশুজিয়া ও নওপাড়া উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে ৩৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে গ্রাম পর্যায়ে সাধারণ রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার কথা থাকলেও হাতেগুনা কয়েকটি ক্লিনিক ছাড়া অধিকাংশ ক্লিনিক থেকেই সঠিক স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। এ অবস্থায় মুখ থুবড়ে পড়েছে উপজেলার স্বাস্থ্য সেবা। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে ৩০ শয্যার এ হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ২০০৬ সালে সিজারিয়ান কার্যক্রম চালু করার জন্য নির্মান করা তিনতলা একটি ভবনের বিভিন্ন কক্ষে মুল্যবান যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি সিজারিয়ান কার্যক্রম চালু না হওয়ায় মূল্যবান এসব যন্ত্রপাতি অযতেœ ও অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে। হাসপাতালটিতে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (ডেমাটোলজি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনী), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট  (মেডিসিন), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (এনেসথেসিয়া), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থো), জুনিয়র কনসালট্যান্ট  (চোখ), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (নাক, কান, গলা), দুইজন সহকারি সার্জন (মেডিকেল অফিসার), মেডিকেল অফিসার (ইমারজেন্সী), মেডিকেল অফিসার (প্যাথলজিস্টস) ও মেডিকেল অফিসার (ইউনানী) পদে চিকিৎসক নেই। তবে একজন ডেন্টাল সার্জন থাকলেও তিনি মাঝে মধ্যে হাসপাতালে আসেন। ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে বুধবার দুপুরে হাসপাতালে কথা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাক্তার জীনাত শাবাহ্র সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি ৪/৫ মাস হয় হাসপাতালে এসেছি। এসেই দলপা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ অনেকগুলো স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি এবং খোঁজখবর রাখছি। সমস্যাতো আছেই সমাধানেরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জনবল নিয়োগ পেলে হাসপাতালটিকে আরোও অনেক বেশি উন্নত করা যাবে।


তাজাখবর২৪.কম: ঢাকা বুধবার ১০ জানুয়ারি ২০১৮, ২৭ পৌষ ১৪২৪



এই বিভাগের আরো সংবাদ

advertisement

 




                                     সম্পাদক: কায়সার হাসান
                    নির্বাহী সম্পাদক: মো: সাইফুল ইসলাম চৌধূরী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আর কে ফারুকী নজরুল,সহকারি ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: জাহানারা বেগম,
সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
এই ঠিকানা থেকে সম্পাদক কায়সার হাসান কর্তৃক প্রকাশিত।
কপিরাইটর্ ২০১৩: taazakhobor24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৮১৮১২০৯০৮, ০১৯১২৪৬৩৪৭০, ০১৬৭২৩৭৭৬৬৬
ই-মেইল: taazakhobor24@gmail.com, facebook: taaza khobor

বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৮